ডেল কার্নেগীর স্মরণীয় ২৫টি উক্তি!

0
31

“ডেল কার্নেগীর স্মরণীয় ২৫টি উক্তি যা আপনার জীবনকে বদলে দিতে পারে”

(১) যার কথার চেয়ে কাজের পরিমাণ বেশি, সাফল্য তার কাছেই এসে ধরা দেয়, কারণ যে নদী যত গভীর তার বয়ে যাওয়ার শব্দ ততো কম।

(২) মনে রাখবেন, আপনি কে বা আপনার কি আছে তার উপর আপনার সুখ নির্ভর করে না, আপনার সুখ নির্ভর করে আপনি কেমন চিন্তা করেন তার উপর।

(৩) যা আপনাকে পীড়া দেয়, এমন বিষয় নিয়ে এক মিনিটের বেশি ভাববেন না।ডেল কার্নেগী

(৪) মানুষের গুণ নিয়ে প্রতিযোগিতা করুন দোষ নিয়ে নয়।

(৫) মনে রাখবেন আজকের দিনটি গতকাল আপনার কাছে আগামীকাল ছিল। যেটার কথা ভেবে গতকাল আপনি চিন্তিত ছিলেন আজ নয়।

(৬) আপনি ভাল মানুষ হলেই পুরো জগৎবাসী আপনার সঙ্গে ভাল ব্যবহার করবে এমনটা আশা করা ঠিক নয়। আপনি নিরামিষভোজী হলে কি কোন ষাঁড় আপনাকে তাড়া করবে না?”

(৭) অস্পষ্টতায় ভরা দূরের কিছুর চেয়ে কাছের স্পষ্ট কিছু দেখাই আমাদের দরকার।

(৮) কি কাজ করতে চলেছেন সে সম্পর্কে কোনো ধারণা না থাকার অর্থ আপনি অন্ধকারের যাত্রী কোনো অন্ধের মত।

(৯) মন্দ সহচর্যের চেয়ে নিঃসঙ্গতা অনেক ভালো।

(১০) মানুষ যখন রাগান্বিত অবস্থায়, তখন তাকে কোনভাবে বিরক্ত করা উচিত নয়। কেননা তা থেকে চরম ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হতে পারে।

(১১) পৃথিবীতে ভালবাসার একটি মাত্র উপায় আছে, সেটা হলো প্রতিদান পাওয়ার আশা না করে শুধু ভালবেসে যাওয়া।

(১২) মনে রাখবেন অন্যায় সমালোচনা অনেক ক্ষেত্রেই আড়াল করা প্রশংসা। মরা কুকুরকে কেউ লাথি মারে না।

(১৩) দুশ্চিন্তা দূর করার এক নম্বর উপায় হলো ব্যস্ত থাকা।

(১৪) আমি চাইতাম বিখ্যাত ব্যক্তিদের মতো সফল হতে; এর জন্য আমি অনেক পরিশ্রমও করেছি কিন্তু আমি কোনোভাবেই সফল হইনি, অবশেষে আমি সিদ্ধান্ত নিলাম- অন্যের মতো নয়- বরং আমি হবো আমার মতো।

(১৫) অনুকরণ নয়, অনুসরণ নয়, নিজেকে খুঁজুন, নিজেকে জানুন, নিজের পথে চলুন।

(১৬) আমরা যখন আমাদের কর্তব্য – কর্মে অবহেলা দেখাই, কোন দায়িত্বকে নিষ্ঠার সঙ্গে গ্রহণ করি না, তখনই অকৃতকার্যতা আসে।

(১৭) ভদ্র আচরণ করতে শিক্ষা লাগে, অভদ্র আচরণ করতে অজ্ঞতাই যথেষ্ট।

(১৮) সাফল্য হলো আপনি যা চান তা হাসিল করা। আনন্দ হলো আপনি যা চান তা পাওয়া।

(১৯) দাম্পত্য জীবনে সুখি হতে চাও? তাহলে পরস্পরকে অবিশ্বাস করবে না আর ঘ্যানর ঘ্যানর করবে না।

(২০) একটি সুন্দর মুখের কুৎসিত কথার চেয়ে একটি কুৎসিত মুখের মধুর কথা অধিকতর শ্রেয়।

(২১) যে স্ত্রীরা স্বামীকে সুখী করতে পারেন, তারা নিজেরাও তারই সঙ্গে সুখী হন। তারা অতি সহজেই বলতে পারেন যে স্বামীর সহযোগিতায় আমাদের জীবন কানায় কানায় পূর্ণ।

(২২) মনে রাখা প্রয়োজন যে, একজন হতাশাগ্রস্থ মানুষের চেয়ে একজন সুখী মানুষ হাজার গুন বেশি কর্মক্ষম।

(২৩) যে অবস্থায়ই পড়ুন না কেন- অবস্থার ভালো মন্দ না দেখে বিচার করা উচিত নয়।

(২৪) সব সময়-ই অপর ব্যক্তিকে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব উপলব্ধি করার সুযোগ দিন।

(২৫) যিনি নিজের মন নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছেন তিনিই সফলতা লাভ করেছেন।