সতর্ক থাকুন সেই ঝুড়ির প্রতি- যা ক্রমাগত ফুটো হয়ে যাচ্ছে!

130

১. আপনি আবায়াহ এবং হিজাব পরিধান করছেন। আবার একই সাথে সুগন্ধী এবং মেইক আপও ব্যবহার করছেন।

২. আপনি রাসুল (সা) এর সুন্নাহ মেনে দাড়ি রাখছেন কিন্তু নিজের নজর হিফাজত করতে পারছেন না।

৩. আপনি ঠিক সময়েই আপনার সকল সালাত আদায় করে ফেলছেন কিন্তু কোন সালাতেই খুশু নেই।

৪. আপনি বাহিরের লোকদের প্রতি সবসময় দয়াপরবশ এবং খুব ভদ্রভাবে কথা বলেন অথচ নিজের পরিবারের ক্ষেত্রে আপনি অত্যন্ত কর্কশভাষী।

৫. আপনার বাসায় আসা মেহমানদের অত্যন্ত সম্মান করলেন এবং যথাসাধ্য আপ্যায়ন করলেন তবে তারা যখন চলে গেলেন তখন তাদের বিভিন্ন দোষত্রুটি বর্ণনা করে গীবাত আরম্ভ করে দিলেন।

৬. গরীবদের যথেষ্ঠ দান করেন কিন্তু তাদের অপমান এবং আঘাতও দেন।

৭. আপনি হয়ত রাতের বেলা তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করেন, দিনের বেলায় সাওম পালন করেন্ন এবং প্রতিদিনই কুর’আন থেকে তিলাওয়াত করেন কিন্তু আপনি ছিন্ন করে ফেলেছেন আত্নীয়তার বন্ধন।

৮. আপনি হয়ত সাওম পালন করছেন, প্রচণ্ড ক্ষুধা – তৃষ্ণায় জর্জরিত হয়েও সবর করছেন। আবার একই সাথে অভিশাপ, গালমন্দও করছেন।

৯. কাউকে কোন কাজে হয়ত আপনি সাহায্য করলেন নিছক তার কাছ থেকে পরবর্তীতে কোন কিছু প্রাপ্তির আশায়। আপনার এই সাহায্যে ছিল না “আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা থেকে কাজটা করার” মত মহৎ মন মানসিকতা।

১০. ফেইসবুকে আপনি নানা প্রকার রিমাইন্ডার পৌস্ট করেন, আপনার হাজার হাজার ফলৌয়ার্স। কিন্তু আপনি এর সবই করছেন আপনার সুনাম বৃদ্ধির জন্যে। আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার কোন কথা এখানে নেই।

আপনার ভালো কাজগুলো এমন কোন ঝুড়িতে জমা করবেন না, যেই ঝুড়ির তলা ফুটো। আপনি হয়ত অনবরত সংগ্রাম করে যাচ্ছেন সেই ঝুড়ি ভর্তি করতে কিন্তু খুব সহজেই সেই ছিদ্র দিয়ে সব বের হয়ে যাচ্ছে।

আমরা আল্লাহর কাছে সাহায্য চাই – কেবল আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্যেই যেন আমরা কাজ করে যেতে পারি এবং তিনি যেন আমাদের সকলের প্রতি সবসময় সন্তুষ্ট থাকেন।

-সংগৃহীত