গাজীপুর সদর উপজেলা

একনজরে গাজীপুর সদর উপজেলা

অবস্থানঃ গাজীপুর সদর উপজেলার মির্জাপুর, পিরুজালী, ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন ৩ টি গাজীপুর জেলার উত্তর পশ্চিমে এবং বাড়িয়া ইউনিয়নটি জেলার পূর্বে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠাকালঃ ২০১৩ ইং

ভৌগলিক পরিচিতিঃ
যতদুরজানা যায় সম্ভ্রান্ত গাজী পরিবারের নামানুসারে গাজীপুরের নামকরণ করা হয়েছে। গাজীপুর জেলার সদর উপজেলা পরিষদের কার্যালয়টি গাজীপুর সিটি করপোরেশন অর্ন্তগত ভূরুলিয়া মৌজায় অবস্থিত। উপজেলার আয়তন ৩৪,৮৭৪ একর, জনসংখ্যা ১৯৪২৯৭ জন (২০১২ এর আদমশুমারী অনুযায়ী)। এ উপজেলার উত্তরে শ্রীপুর উপজেলা, দক্ষিণে গাজীপুর সিটি করপোরেশন, পূর্বে কালীগজ্ঞ ও শ্রীপুর উপজেলা এবং পশ্চিমে কালিয়াকৈর উপজেলা অবস্থিত। উপজেলায় ৪টি ইউনিয়ন রয়েছে।  ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান এবং হুমায়ুন আহমেদের ণূহাশ পল্লী গাজীপুর সদরে অবস্থিত।

গাজীপুর সদর উপজেলার পটভূমিঃ
সরকারের বিকেন্দ্রীকরণ নীতির ফলশ্রুতিতে ১৯৮২ সনে উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়এবং স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসন পুনর্গঠন) অধ্যাদেশ, ১৯৮২ এর আওতাধীনে উপজেলা পরিষদের গঠন, ব্যবস্থাপনা ও দৈনন্দিন কাজকর্ম পরিচালিত হত। ১৯৮২ সালের এপ্রিল মাসে তৎকালীন সরকার দেশের প্রশাসনিক পুর্নগঠন/সংস্কার এর জন্য একটিউচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কমিটি গঠন করেন। উক্ত কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতেসমগ্র দেশে ৪৬০টি উপজেলা ও ৬৪টি জেলা গঠন করা হয়। জনগনের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত জন প্রতিনিধি অর্থাৎ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের নিকট হস্তান্তরিত বিষয় সমূহের প্রশাসনিক, আর্থিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের সার্বিকদায়িত্ব প্রদান করা হয়। অতঃপর ১৯৯১ সনে উপজেলা পদ্ধতি বাতিল করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সনে উপজেলা পরিষদ আইন প্রনয়ন হলেও উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। ২০০৮ সনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার উপজেলা পরিষদ অধ্যাদেশ প্রবর্তন করেন এবং এর অধীনে ২০০৯ সনের ২২ জানুয়ারি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। অতঃপর বর্তমান সরকার ১৯৯৮ সনের উপজেলা পরিষদ আইনের কিছু সংশোধনীসহ উপজেলা পরিষদ সংশোধনী আইন ২০০৯ প্রণয়ন করেন এবং তদানুযায়ী বর্তমানে উপজেলা পরিষদসহ উপজেলার সার্বিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

সীমানাঃ  উপজেলার মির্জাপুর, পিরুজালী, ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের উত্তর এবং পূর্বে শ্রীপুর উপজেলা দক্ষিণে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ২২ ও ২৩ নং ওয়ার্ড পশ্চিমে কালিয়াকৈর উপজেলা।

বাড়িয়া ইউনিয়নের উত্তরে শ্রীপুর পূর্বে কালীগঞ্জ, দক্ষিণে উত্তরা থানা, পশ্চিমে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৩০নং ওয়ার্ড।

আয়তনঃ ১৪১.১৯  বর্গ কিঃ মিঃ
জনসংখ্যা মোটঃ ১,৯৪,২৯৭জন (২০১১ সালের আদম শুমারী অনুযায়ী)
পুরুষঃ ১,০১,৬৩৮জন
নারীঃ ৯২৬৫৯জন
জনসংখ্যার ঘনত্বঃ ১২১১ জন (প্রতি বর্গ কিলোমিটার)
ইউনিয়নের সংখ্যাঃ ০৪টি
মৌজার সংখ্যাঃ ৯টি
মোট গ্রামঃ ২৬১টি

স্বাস্থ্য সংক্রান্তঃ

  • সরকারি হাসপাতালঃ ০২টি
  • উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সঃ ০১টি
  • উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রঃ ০৫টি
  • ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কেন্দ্রঃ ০৫টি
  • কমিউনিটি ক্লিনিকঃ ৪৯টি
  • বেসরকারি ক্লিনিকঃ ৩৬টি
  • মেডিকেল কলেজ হাসপাতালঃ ০১টি
  • বেসরকারিমেডিকেল কলেজ হাসপাতালঃ ০১টি
  • সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালঃ ০১টি (সিএমএইচ)
  • স্বাস্থসম্মত পায়খানা ব্যবহারের তালিকাঃ ৯৮%
  • মোটক লেজঃ ১৫টি
  • মোট মাদ্রাসাঃ ৩৬টি
  • মোট মাধ্যমিকবিদ্যালয়ঃ ৬২টি
  • মোট নিন্ম মাধ্যমিকবিদ্যালয়ঃ ১০টি
  • মোট প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ৩৮৪টি
  • সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ১২৬টি
  • জিঃ বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ৩০টি
  • আনরেজিঃ বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ২১টি
  • উচ্চবিদ্যালয়সংযুক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ৬টি
  • কমিনিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ১৩টি
  • পি,টি,আই, প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ১টি
  • কেজি প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ১৮৭টি
  • মোট হাটবাজারঃ ১৮টি
  • মোট খাস পুকুরঃ ৪১০টি
  • মোট জমিঃ ৪৩৩৬৩ হেক্টর
  • কৃষি জমিঃ ৪০৩৯৬ হেক্টর
  • নীট ফসলি জমিঃ ২২৮৩১ হেক্টর
  • মোট ভি, পি জমিঃ ২০১৯.৪৮একর
  • মোট খাস জমিঃ ২৩৩২.৯৫ একর
  • মোট কৃষি জমিঃ ৭৩৯.৬৮ একর
  • মোট বন ভূমিঃ ১৬৪০ একর

ইউনিয়নসমূহঃ
গাজীপুর সদর উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদসমূহ:

ক্রমিক নং ইউনিয়ন পরিষদের নাম বর্তমান চেয়ারম্যান মোবাইল নম্বর
১। মির্জাপুর (Mirzapur) মো: মোশারফ হোসেন দুলাল ০১৭১২৩৪২৭৪১
২। ভাওয়াল গড় (Bhaowal Gar) মো: সালাহ উদ্দিন সরকার ০১৭২৪-৮৯৮৭৬৮
৩। পিরুজালী (Pirojali) মোঃ সাইফুল্লাহ সরকার মঞ্জু ০১৭১১৬৩৩৭০৬
৪। বাড়ীয়া (Baria) মোঃ হাবিবুর রহমান খান ০১৭১৬২৪৪৭৮৪

 

ভাষা ও সংষ্কৃতিঃ
প্রাচীন কালে  চীনা পরিব্রাজক যখন বাংলাদেশ ভ্রমন করেন তখন সারা বাংলায় আর্য ভাষার প্রচলন হয়।  ভাওয়ালেও (গাজীপুর জেলা) তখন আর্য ভাষাসুপ্রতিষ্ঠিত  হয় । বাংলা  একাডেমী থেকে  প্রকাশিত বাংলা ভাlv  নামকগবেষণা গ্রন্থে  বিশিষ্ট লেখক  ডঃহুমায়ুন আজাদ বর্ণনা করেছেন আঠারো শতকেরত্রিশের দশকে  ঢাকার ভাওয়ালে বসে  পর্তুগীজপাদ্রি ম্যানুয়েলদা  আসসম্পসাও রচনা করেছিলেন  বাংলার দ্বিভাষিক অভিধান ও খন্ডিতব্যকরণ  কাজটিনাগরীর গীর্জাতে বসে  সম্পন্ন করেছেন। ভাওয়ালের কথ্য ভাষায় যা বাংলা  একাডেমী ডঃ সুনীতি কুমার  চট্টোপাধ্যায়সহ সকল গবেষকরা স্বীকৃতি দিয়েছেন ।

জেলার আঞ্চলিক ভাষার নমুনাঃ
অহনো        এখনো            কান্দস          কাঁধ

অইলে         হলে               কতা            কথা

বাংলাগদ্যের জন্মস্থান ভাওয়াল । বাংলা ভাষার ইতিহাসে আদি ও প্রথম গদ্যে রচিতপুস্তকটি  ‘ব্রাষ্ফন রোমান ক্যাথলিক’ সংবাদ নামে বিশেষ পরিচিত ।

সংস্কৃতিঃ

ভাওয়াল  সংগীতঃ ভাওয়াল জমিদারের পৃষ্ঠপোষকতায় ভাওয়াল সংগীত প্রতিষ্ঠা লাভ করে ।
বিশেষতঃ সম্রাটআকবরের সভাসদ তানসেনের পুত্র বংশীয় রবাবীয়া, ধ্রুপদীয়াও ওস্তাদকাশেম আলী খাঁ ভাওয়াল রাজবাড়ীতে সংগীতের চর্চা করে  ভাওয়াল সংগীতকে প্রসিদ্ধ হতে  সহায়তা করেন।
দোমঅন্থনির পালাগানঃ অতীতেগাজীপুর অঞ্চলে  এ পালা গান প্রচলিত ছিল । ধর্ম প্রচারের জন্য গণমানুষদের কথামালা নিয়ে এ পালাগান রচিত হত। ভাওয়ালের মানুষ ছিল পালাগান, জারী, সারি, ভাটিয়ালী গান প্রিয় । দোম অন্থনি দো রোজারিও এ পালগান রচনা করেনযা ধীরে ধীরে ভাওয়াল ছাড়াও দেশে নানা স্থানে ছাড়িয়ে পড়ে ।
গাজীর গীতঃ পূর্বেসমগ্র গাজীপুর অঞ্চলে  গাজীর গীতের প্রচলছিল।
বাংলার সুলতান সিকান্দরশাহের প্রথম  পুত্র  গাজীর জীবন কাহিনী নিয়ে এই গীত রচিত হয়।
প্রাচীন পুঁথি সাহিত্যঃ পুঁথি সাহিত্য এ অঞ্চলে  পূর্বে খুবই জনপ্রিয় ছিল। সোনাবানের পুঁথি, মোছন্দালীরপালা, গাজীর পালা, গফুর বাদশা, বানেছা পরীর পালা, ভাওয়াল সন্যাসীর পালা প্রভৃতি এ অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য পুঁথি সাহিত্য।
লোকজসংস্কৃতিঃ গাজীপুর অঞ্চলে  অলংকার শিল্প , আসন শিল্প , কাথা শিল্প, পাখা শিল্প, কাঠশিল্প, মাদুরশিল্প, ধুপ শিল্প, খেজুর পাতার পাটি শিল্প ইত্যাদি কুটিরশিল্প প্রচলন রয়েছে ।
উৎসবঃ বিভিন্নপার্বনে বিভিন্ন ধরণের উৎসব উদযাপিত হয়  এবং মেলার আয়োজন করেন । বৈশাখ মাসে বৈশাখী মেলা, হেমন্তে  নবান্ন  উৎসব, চৈত্র  সংক্রান্তিতে মেলার  আয়োজন করা হয়।
ঘরবাড়ীঃ গাজীপুর জেলার  গ্রামাঞ্চলের  মাটির দেয়ালের ঘর দেখতে পাওয়া যায় ।  তবে শহর অঞ্চলে  দালান-কোঠা  রয়েছে ।
গাজীপুর জেলায় কোচ সম্প্রদায়ের আদিবাসীর  বসবাস রয়েছে । এদের নিজস্ব সংস্কৃতি রয়েছে।
মেঘমাগাঃ খরার মৌসুমে আল্লাহর কাছে মেঘ পার্থনার জন্য বয়স্ক, যুবক, কিশোর, শিশুরাসিংগা, ভাংঙ্গাকুলা, ভাঙ্গা হাড়ি,পাতিল ঢোল, ঝুড়ি, মুখোশ, বস্তা ইত্যদি নিয়ে সন্ধা থেকে রাত ২/৩টা পর্যন্ত সামান্য পানি নিয়ে কাদা করে মেঘের জন্যপ্রার্থনা করত। এই প্রার্থণাই অঞ্চলিক ভাবে মেঘ মাগা বা মেঘমাঘন প্রার্থ্যনা নামে পরিচিত। বহু পূর্ব হতে এই জেলায় মেঘমাগার প্রচলন চলে আসছে।

দর্শনীয় স্থানঃ

ক্রমিক নাম কিভাবে যাওয়া যায়
বাসরী রাজেন্দ্রপুর হয়ে ২০০ গজ উত্তর দিকে যেয়ে পশ্চিমে রাস্তার দক্ষিণ পাশে
ন্যাশনাল পার্ক ঢাকা থেকে বাসে জয়দেবপুর চৌরাস্তা হয়ে ময়মনবিংহ বোডে ৮ কিলো দূরত্বে অবস্থিত। ট্রেনেও যাওয়া যায়।
নুহাস পল্লী ঢাকা থেকে সড়ক পথে ময়মনসিংহ রোডে হুতাপাড়া হয়ে পশ্চিম দিকে পিরুজালী ইউনিয়নে।
ভাওয়াল (রাজপ্রাসাদ) রাজবাড়ী জিরো পয়েন্ট হতে গাজীপুর গামী বাসে শিববাড়ীতে নেমে রিক্সাযোগে রাজবাড়ী আসা যায়।
জাগ্রত চৌরঙ্গী জিরো পয়েন্ট হতে ঢাকা-ময়মনসিংহ রোডে গাজীপুর গামী বাসে আসা যায়।
বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান গাড়ী ও বাসে
বঙ্গবন্ধু সাফারী পার্ক এবং নুহাশ পল্লী ঢাকা- হতে সড়ক পথে উত্তর দিকে গাজীপুর চৌরাস্তা হয়ে ময়মনসিংহ মহাসড়ক হতে উত্তর পশ্চিম দিকে ‘নুহাশ পল্লী’র সন্নিকটে (প্রায়) ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

 

খেলাধুলা ও বিনোদনঃ
ক্রীড়া পরিদপ্তর প্রণীত বাৎসরিক ক্রীড়া সূচী অনুযায়ী জেলা ক্রীড়া অফিস, গাজীপুর জেলায় ক্রীড়া কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে । ২০০৮-০৯ অর্থ বৎসরে ক্রীড়ার ৪টি বিষয়ে (হকি, ক্রিকেট, ফুটবল ও হ্যান্ডবল) মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ এবং ৪টি বিষয়ে (দাবা, ভলিবল, এাথলেটিকস ও কাবাডি) প্রতিযোগিতার কর্মসূচী বাস্তবায়িত হয়েছে । ক্রীড়ার উক্ত ৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণে জেলার ১২০ জন এবং প্রতিযোগিতায় ২০৮ জনসহ মোট ৩২৮ জন ছেলে-মেয়ে অংশ গ্রহণ করেছে।

বিশেষ উল্লেখযোগ্য খেলার নাম ও স্থানঃ
গাজীপুরসদর, কালিগঞ্জ, শ্রীপুর, কাপাসিয়া ও কালিয়াকৈর উপজেলায় দেশের প্রচলিত গ্রামীন খেলা বৌছি, দাঁড়িয়াবান্ধা, গোল্লছুট সহ ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, দাবা, ক্যারম, ব্যাডমিন্টন ও ভলিবল ইত্যাদি খেলারও প্রচলন রয়েছে । হকি খেলাশুধু মাত্র জেলা সদরে সীমাবদ্ধ । বাস্কেট বল খেলা কালিগঞ্জ উপজেলার নাগরী স্কুলে এবং জেলায় অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে অনুষ্ঠিত হয় । টেবিল টেনিস ওটেনিস খেলা জেলায় অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয় সমূহ এবং রাজেন্দ্রপুর ব্রাকে অনুষ্ঠিত হয়।

খেলার মাঠ ও স্টেডিয়ামঃ
জেলাসদরে শহীদ বরকত স্টেডিয়াম অবস্থিত । উপজেলা পর্যায়ে কোন স্টেডিয়াম নাই ।তবে উপজেলা সমূহের স্কুলের খেলার মাঠ রয়েছে এবং জেলার রাজবাড়ী মাঠটিতেও  বিভিন্ন প্রকার খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া জেলায় অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে বড় খেলার মাঠ ও খেলার সকল সুবিধাবলী রয়েছে ।

গাজীপুরের উল্লেখযোগ্য কিছু মেলাঃ

ক) রথমেলা
খ) বৈশাখী মেলা

Facebook Comments

১১৩ Comments

  1. What i don’t realize is actually how you’re no longer really much more smartly-preferred than you might be right now. You’re so intelligent. You recognize therefore considerably in terms of this matter, produced me in my opinion imagine it from so many varied angles. Its like women and men aren’t fascinated unless it’s something to accomplish with Woman gaga! Your individual stuffs outstanding. All the time handle it up!| а

  2. Write more, thats all I have to say. Literally, it seems as though you relied on the video to make your point. You clearly know what youre talking about, why throw away your intelligence on just posting videos to your site when you could be giving us something informative to read?| а

  3. Hi! Quick question that’s entirely off topic. Do you know how to make your site mobile friendly? My website looks weird when viewing from my iphone. I’m trying to find a template or plugin that might be able to resolve this issue. If you have any suggestions, please share. Many thanks!| а

  4. Woah! I’m really digging the template/theme of this site. It’s simple, yet effective. A lot of times it’s tough to get that “perfect balance” between usability and visual appeal. I must say you’ve done a excellent job with this. Also, the blog loads very quick for me on Chrome. Superb Blog!| а

  5. Do you mind if I quote a couple of your posts as long as I provide credit and sources back to your blog? My blog is in the very same niche as yours and my visitors would genuinely benefit from a lot of the information you provide here. Please let me know if this okay with you. Appreciate it!| а

  6. Excellent blog! Do you have any suggestions for aspiring writers? I’m hoping to start my own blog soon but I’m a little lost on everything. Would you propose starting with a free platform like WordPress or go for a paid option? There are so many choices out there that I’m completely overwhelmed .. Any suggestions? Kudos!| а

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!
Close
Close